Skip to main content

Small Business - ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফল হওয়ার উপায়



খুব সহজেই ক্ষুদ্র ব্যবসায় গড়ে তোলা যায় কিন্তু খুব সহজেই কি সফলতা পাওয়া যায়? সফলতা পেতে হলে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে নানা বাধা বিপত্তি দূর করতে হয়। অবলম্বন করতে হয় নান কৌশল। কিভাবে একটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফল হবেন তাই নিয়ে আজকের আলোচনা।

পরিকল্পনাঃ 
পরিকল্পনা হল কোন কাজের ৫০% সফলতা। আপনার পরিকল্পনা যদি উদ্দেশ্যমাফিক হয় তাহলে সফলতা খুব সহজেই অর্জন করা যায়। পরিকল্পনা মূলত ভবিষ্যতের ছবি। ভবিষ্যতে আপনার ব্যবসায়ের ক্রেতা কারা হবে, তাদের রুচি / পছন্দ কেমন হবে, দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা কেমন হবে এইসব নিরূপণ করবেন।

সঠিক কর্মীঃ 
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফলতার অন্যতম পূর্বশর্ত হল উপযুক্ত ও দক্ষ কর্মী নির্বাচন করা। উপযুক্ত ও দক্ষ কর্মী দ্বারা আপনার ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা সফল হবে। আপনার পণ্যের গুনগত মান ঠিক থাকবে ফলে আপনার পণ্যের ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জন হবে।

ব্যবসায়ের স্থানঃ 
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফলতার অন্যতম কারণ হল আপনার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান। যে স্থানে আপনার পণ্যের কাঁচামাল খুব সহজে পাবেন, দক্ষ শ্রমিক পাবেন, ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, আপনার পণ্যের ক্রেতা যেখানে বেশি এমন স্থানে আপনার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান শুরু করবেন।

মূলধনঃ 
প্রয়োজনীয় মূলধন সরবরাহ করা কোন ব্যবসায়ের সফলতার অন্যতম উপায়। মূলধনের উপর নিরভর করে আপনার ব্যবসায়ের উৎপাদন ও বিক্রয়। তাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন করতে হলে পর্যাপ্ত মূলধন রাখবেন।

বাজারজাত করাঃ 
আপনাকে সফল হতে হলে বাজার সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে। কারণ আপনার পণ্য সঠিকভাবে বাজারজাত না করতে পারলে লস হবে। অনেক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়ে লস করেছে শুধুমাত্র বাজার সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায়। বাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা না থাকলে ক্রেতার চাহিদা ও রুচি অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করতে পারবেন না ফলে আপনার বিক্রয় কমে যাবে। তাই সফল হতে হলে অবশই বাজার সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখবেন।

সঠিক সিদ্ধান্তঃ 
যে কন ব্যবসায়ের সফলতার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। ভোক্তার রুচি, চাহিদা অনুযায়ী ও বাজারের অবস্থা অনুযায়ী আপনাকে সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সময় অনুযায়ী যুক্তি সঙ্গত সঠিক সিদ্ধান্ত আপনাকে নিয়ে যাবে সফলতার দ্বারপ্রান্তে।

ব্যবসায়িক হিসাব সংরক্ষনঃ 
ব্যবসায়ে সফলতা অর্জনের জন্য আপনাকে অবশ্যই সঠিক ও নিয়মিতভাবে ব্যবসায়ের যাবতীয় তথ্যাদি ও হিসাব সংরক্ষণ করতে হবে। সব হিসাব ও তথ্য যেন আপনার নখদর্পণে থাকে।

ব্যবসায় প্রশিক্ষণঃ 
আপনি যে পণ্য নিয়ে ব্যবসায় করতে চান সেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিলে সফলতা অর্জন সহজ হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ের সফলতা অর্জনের অন্যতম উপায় হল ব্যবসায়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা।
কোথায় থেকে ব্যবসায়ের জন্য প্রশিক্ষণ নিবেন তা জানতে - এখানে ক্লিক করুন

Popular posts from this blog

অংশীদারি ব্যবসায়ের চুক্তিপত্র কিভাবে করবেন?

অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তিই হল চুক্তি। চুক্তি ছাড়া অংশীদারি ব্যবসায় মুল্যহীন। অংশীদারি চুক্তিপত্র ব্যবসায়ের দিক - দর্শন হিসেবে কাজ করে। ভবিষ্যতে যেন কোন সমস্যা সৃষ্টি না হয় সেজন্য চুক্তিপত্রের বিষয়সমুহ ভালভাবে লিখতে হবে। তাহলে চলুন দেখে নেই চুক্তিপত্রে সাধারণত কোন বিষয়গুলো উল্লেখ থাকা উচিত। Sample of  partnership contract Stamp Paper ১) অংশীদারি ব্যবসায়ের নাম ও ঠিকানা। ২) ব্যবসায়ের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য। ৩) ব্যবসায়ের কার্যক্রম ও সম্ভাব্য এলাকা। ৪) অংশীদারদের নাম, ঠিকানা ও পেশা। ৫) ব্যবসায়ের মোট মুধনের পরিমাণ। ৬) অংশীদারদের প্রত্যেকের পুঁজির পরিমাণ ও তা পরিশোধ পদ্ধতি। ৭) অংশীদারগণ ব্যবসায় হতে কোন অর্থ উত্তোলন করতে পারবে কি না? পারলে কে কত বা কি হারে? ৮) মূলধন ও উত্তোলন করা টাকার ওপর কোন সুদ ধরা হবে কি না? হলে কি হারে ধরা হবে? ৯) ব্যবসায়ের লাভ লোকসান এর হার কেমন, কিভাবে বন্টন করা হবে? ১০) ব্যবসায়ের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি কেমন হবে? ১১) কোন ব্যাংকে হিসাব খোলা হবে? ঐ ব্যাংকের নাম, ঠিকানা ও হিসাবের ধরন কি হবে? ১২) ব্যাংকের হিসাব কে পরিচালনা করবে? ...

রংপুর বিভাগের সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পসমূহ

Business In Rangpur আপনার বাড়ি যদি রংপুর বিভাগে হয় তাহলে আপনি দেখে নিতে পারেন আপনার জেলায় সম্ভাবনাময় কি কি ব্যবসায় শিল্পগুলো রয়েছে। সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নামের সাথে কত টাকা মূলধন হলে আপনি শুরু করতে পারবেন তা উল্লেখ করা হল। রংপুর বিভাগে যে ব্যবসায় শিল্পগুলো খুবই সম্ভাবনাময় তার তালিকা - রংপুর জেলাঃ  সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন অফসেট প্রিন্টিং প্রেস - ১২৫ লাখ টাকা গজ ও ব্যান্ডেজ - ১৫ লাখ টাকা ইলেকট্রিক গুডস - ১২ লাখ প্লাস্টিক প্রোডাক্টস - ২৫ লাখ অটোমোবাইল সার্ভিসিং এন্ড রিপেয়ারিং - ৩৮ লাখ হাল্কা প্রকৌশল কারখানা - ৪০ লাখ অটোমেটিক বিস্কুট ফ্যাক্টরি - ১৪০ লাখ সাইকেল ও রিক্সার যন্ত্রাংশ কারখানা - ২০ লাখ দিনাজপুর জেলাঃ  সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন টাইলস কারখানা - ২৭০ লাখ টাকা মার্বেল পাথরে শিল্প - ২৫০ লাখ টাকা মোজাইক পাথর শিল্প - ৯৫ লাখ টাকা স্টোন ক্রাশিং - ৯০ লাখ টাকা ফ্লাওয়ার মিল - ২৫০ লাখ টাকা সেমাই ও নুডুলস কারখানা - ২৬০ লাখ টাকা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প - ১৭৫ লাখ টাকা কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরি শিল্প - ১৩৫ লা...