Skip to main content

সঞ্চয় করার গোপন টিপস - যেভাবে টাকা জমাবেন

Save Money


1. মাসের বাজার একসাথে করুন। যখন যা লাগবে তখন আনবেন না। কিছু জিনিস আগের মাসে কিছুটা বেচে গেলে ও পরের মাসে আবার কিনুন। ২/৩ মাস পরে দেখবেন এক মাস খুব অল্প বাজার করলেই হচ্ছে
2. মাছ মাংস ১০ দিন পর পর কিনুন। সবজি কিনুন সপ্তাহে একবার। পুরো মাসের জন্য একটা খাবারের মেনু করুন।

3. মেহমানের জন্য আলাদা বাজেট রাখুন। মেহমান কম আসলেও বেচে যাওয়া টাকা টা আলাদা করে রাখুন। পরে বেশি খরচ হলে ও মোটের উপর সব ঠিক থাকবে।
4. মাসে ১/২ বার বাইরে খাবার বাজেট রাখুন। তাহলে যখন তখন বাইরে খাওয়া কন্ট্রোল করতে পারবেন। যদি কোন মাসে বাইরে যাওয়া না হয়, পরের মাসে আগের থেকে ভাল জায়গাতে যাবেন। বাইরে খাওয়া খুব একটা সাস্থ্য সম্মত নয় কিন্তু ।

5. সারাবছরই আমাদের দাওয়াত থাকে বিভিন্ন। বেড কভার, ক্রকারিজ, শো পিছ কিনে ঘরে রাখতে পারেন। সময় মত কাজে লাগবে। prize bonds কিনে রাখা সব থেকে বুদ্ধিমান এর কাজ। সাথে সুন্দর কিছু ইনভিলাপ।
6. ইদের সময় হাজার খরচ মাথায় এসে পড়ে। একমাত্র ভরসা বোনাস।ব্যাবসায়ীদের জন্য তো আরও ঝামেলা......প্রতি মাসে কিছু কিছু টাকা আলাদা করে রাখলে ইদের সময় ভাল সাপোর্ট পাওয়া যায়। ধরুন মাসে ৫০০ টাকা আলাদা করে রাখলে ১১ মাসে সেটা হয় ৫৫০০ টাকা। সেটা দিয়ে কিছু কেনা কাটা তো হয়েই যায়। ইদের খরচটা যদি মাসিক ইনকাম থেকে যোগাড় হয়ে যায় তাহলে বোনাস এর টাকাটা জমানো যায়।

7. হাতে সামান্য কিছু টাকা আসলে আমরা এটা সেটা কিনি। ভাবি এই কয়েকটা টাকা জমিয়ে কি হবে! বিন্দু বিন্দু করেই সিন্ধু হয়। টাকা হাতে থাকলে খরচ হয়ে যায়???? ওকে তা হলে Prize bond কিনে রাখুন।
8. মাসে একবারের বেশি শপিং এ যাবেন না। শুধু ঘোরার উদ্দেশ্য মার্কেটে গেলে টাকা/ card নিবেন না। কার্ড বাসাতে রাখুন। আর সাথে Emergency এর জন্য কিছু টাকা। হাতে টাকা বা কার্ড থাকলেই মনে হয় এই কিনি ওই কিনি। বিকাশ/ রকেট এ খুব বেশি টাকা রাখবেন না। আপনার নিরাপত্তার জন্য ও ঠিক না, আবার থাকলে খরচও হবে।



9. সস্তা জিনিস কেনা থেকে বিরত থাকুন। সবসময় সস্তা জিনিস কিনলে দেখবেন আপনার জামাকাপড় জুতা ব্যাগ সংসারের সব সস্তা হয়ে যাচ্ছে । কম টাকায় জিনিস কিনলে তাতে যে টাকা বাচে তা না। দেখা যায় আমরা সস্তা বলে বেশি জিনিস কিনছি।
10. কয়েন জমান। এটা বাচ্চাদের মতো কাজ?? ছোট লোক?? জি না... ২/৩ বছর পর দেখুন কত হল। কিছু না করেই দেখুন ৩/৪ হাজার বা তার থেকেও বেশি জমিয়েছেন।

Money Saving Tips 

11. হাসবেন্ডরা ওয়াইফ কে সাধ্যের মধ্যে gold gift দিন। টাকা টার ৮০% ই থাকছে। খুব দামি একটা শাড়ির কিছুই কিন্তু থাকছে না। ৩ আনা তেই চেন হয়। এক আনা তেই কানের টপ। ওগুলোর gold ভালো না?? কিন্তু gold এর জিনিষের রঙ তো আর উঠে না। gold এর আসল হল রিসিট। রিসিটে যা লিখা থাকবে সেটাই হল আসল। যে দোকান থেকে কিনেছেন প্রয়োজন তাদের কাছে যান রিসিট দেখে টাকা দিবে। তবে ডায়মণ্ডের কিন্তু কোন রিসেল ভ্যালু নেই। অনেকেই বলবে আছে বেচতে গেলে বুঝবেন।
12. বাচ্চাদের নিয়ম করুন মাসে একবারের বেশি গিফট না। garments product বাংলাদেশে খুব ভাল পাওয়া যায়। বিখ্যাত সব ব্রান্ড এর কাপড় পাওয়া যায়। তাই বাচ্চাদের জন্য এইগুলা কিনুন। দামে সস্তা জিনিস ভাল, স্টাইলিশ।

13. সুপারশপে বাজার না করে এলাকার মুদি দোকানে বাজার করলে বেশ কিছু টাকা সেভ হয়। VAT দিতে হয় না গায়ে লিখা দাম থেকে কিছু কম রাখে, আর সব থেকে বড় কথা সুপার সপে এর র্যাকে সাজান জিনিস দেখলে মনে হয় এই কিনি ওই কিনি দরকার না থাকলেও এটা সেটা কেনা হয়ে যায়। কাল এক নিউজে দেখলাম একজন সুপারশপ থেকে ২৫০g চেরি ২৫০/৩০০ টাকা এমন কি এক দামে কিনে নিয়ে গেছে। বাসাতে যেয়ে দেখে চেরি টমেটো। প্যাকেটের গায়ে চেরি লিখা দেখে কিনেছেন।
14. প্রমশনাল অফারের ফ্রি জিনিস যদি কাজের জিনিস হয় তো একটু বেশি করে কেনা যায়।স্যুপের সাথে বাটি ফ্রী.... ওই বাটি কি আমার/ আপনার কোন কাজের জিনিস??

15. টাকা ধার করা থেকে বিরত থাকুন। ধার থাকলে ইনকামে বরকত পাওয়া যায় না। নিজের আয়ের মধ্যেই চলার চেস্টা করুন। তারপরও কেউ টাকা পেলে না খেয়ে হলেও আগে ধার শোধ করে নিন। যাকে তাকে টাকা ধার দিবেন না। ইনকাম এর একটা অংশ long term DPS করুন ।প্রয়জনে খুব অল্প টাকার DPS করুন, কিন্তু করুন।
Writer - Jarin Sultana (JSS)

Popular posts from this blog

অংশীদারি ব্যবসায়ের চুক্তিপত্র কিভাবে করবেন?

অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তিই হল চুক্তি। চুক্তি ছাড়া অংশীদারি ব্যবসায় মুল্যহীন। অংশীদারি চুক্তিপত্র ব্যবসায়ের দিক - দর্শন হিসেবে কাজ করে। ভবিষ্যতে যেন কোন সমস্যা সৃষ্টি না হয় সেজন্য চুক্তিপত্রের বিষয়সমুহ ভালভাবে লিখতে হবে। তাহলে চলুন দেখে নেই চুক্তিপত্রে সাধারণত কোন বিষয়গুলো উল্লেখ থাকা উচিত। Sample of  partnership contract Stamp Paper ১) অংশীদারি ব্যবসায়ের নাম ও ঠিকানা। ২) ব্যবসায়ের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য। ৩) ব্যবসায়ের কার্যক্রম ও সম্ভাব্য এলাকা। ৪) অংশীদারদের নাম, ঠিকানা ও পেশা। ৫) ব্যবসায়ের মোট মুধনের পরিমাণ। ৬) অংশীদারদের প্রত্যেকের পুঁজির পরিমাণ ও তা পরিশোধ পদ্ধতি। ৭) অংশীদারগণ ব্যবসায় হতে কোন অর্থ উত্তোলন করতে পারবে কি না? পারলে কে কত বা কি হারে? ৮) মূলধন ও উত্তোলন করা টাকার ওপর কোন সুদ ধরা হবে কি না? হলে কি হারে ধরা হবে? ৯) ব্যবসায়ের লাভ লোকসান এর হার কেমন, কিভাবে বন্টন করা হবে? ১০) ব্যবসায়ের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি কেমন হবে? ১১) কোন ব্যাংকে হিসাব খোলা হবে? ঐ ব্যাংকের নাম, ঠিকানা ও হিসাবের ধরন কি হবে? ১২) ব্যাংকের হিসাব কে পরিচালনা করবে? ...

রংপুর বিভাগের সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পসমূহ

Business In Rangpur আপনার বাড়ি যদি রংপুর বিভাগে হয় তাহলে আপনি দেখে নিতে পারেন আপনার জেলায় সম্ভাবনাময় কি কি ব্যবসায় শিল্পগুলো রয়েছে। সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নামের সাথে কত টাকা মূলধন হলে আপনি শুরু করতে পারবেন তা উল্লেখ করা হল। রংপুর বিভাগে যে ব্যবসায় শিল্পগুলো খুবই সম্ভাবনাময় তার তালিকা - রংপুর জেলাঃ  সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন অফসেট প্রিন্টিং প্রেস - ১২৫ লাখ টাকা গজ ও ব্যান্ডেজ - ১৫ লাখ টাকা ইলেকট্রিক গুডস - ১২ লাখ প্লাস্টিক প্রোডাক্টস - ২৫ লাখ অটোমোবাইল সার্ভিসিং এন্ড রিপেয়ারিং - ৩৮ লাখ হাল্কা প্রকৌশল কারখানা - ৪০ লাখ অটোমেটিক বিস্কুট ফ্যাক্টরি - ১৪০ লাখ সাইকেল ও রিক্সার যন্ত্রাংশ কারখানা - ২০ লাখ দিনাজপুর জেলাঃ  সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন টাইলস কারখানা - ২৭০ লাখ টাকা মার্বেল পাথরে শিল্প - ২৫০ লাখ টাকা মোজাইক পাথর শিল্প - ৯৫ লাখ টাকা স্টোন ক্রাশিং - ৯০ লাখ টাকা ফ্লাওয়ার মিল - ২৫০ লাখ টাকা সেমাই ও নুডুলস কারখানা - ২৬০ লাখ টাকা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প - ১৭৫ লাখ টাকা কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরি শিল্প - ১৩৫ লা...

Small Business - ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফল হওয়ার উপায়

খুব সহজেই ক্ষুদ্র ব্যবসায় গড়ে তোলা যায় কিন্তু খুব সহজেই কি সফলতা পাওয়া যায়? সফলতা পেতে হলে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে নানা বাধা বিপত্তি দূর করতে হয়। অবলম্বন করতে হয় নান কৌশল। কিভাবে একটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফল হবেন তাই নিয়ে আজকের আলোচনা। পরিকল্পনাঃ  পরিকল্পনা হল কোন কাজের ৫০% সফলতা। আপনার পরিকল্পনা যদি উদ্দেশ্যমাফিক হয় তাহলে সফলতা খুব সহজেই অর্জন করা যায়। পরিকল্পনা মূলত ভবিষ্যতের ছবি। ভবিষ্যতে আপনার ব্যবসায়ের ক্রেতা কারা হবে, তাদের রুচি / পছন্দ কেমন হবে, দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা কেমন হবে এইসব নিরূপণ করবেন। সঠিক কর্মীঃ  ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফলতার অন্যতম পূর্বশর্ত হল উপযুক্ত ও দক্ষ কর্মী নির্বাচন করা। উপযুক্ত ও দক্ষ কর্মী দ্বারা আপনার ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা সফল হবে। আপনার পণ্যের গুনগত মান ঠিক থাকবে ফলে আপনার পণ্যের ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জন হবে। ব্যবসায়ের স্থানঃ  ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফলতার অন্যতম কারণ হল আপনার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান। যে স্থানে আপনার পণ্যের কাঁচামাল খুব সহজে পাবেন, দক্ষ শ্রমিক পাবেন, ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, আপনার পণ্যের ক্রেতা যেখান...