Skip to main content

রংপুর বিভাগের সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পসমূহ

Business In Rangpur


আপনার বাড়ি যদি রংপুর বিভাগে হয় তাহলে আপনি দেখে নিতে পারেন আপনার জেলায় সম্ভাবনাময় কি কি ব্যবসায় শিল্পগুলো রয়েছে। সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নামের সাথে কত টাকা মূলধন হলে আপনি শুরু করতে পারবেন তা উল্লেখ করা হল।
রংপুর বিভাগে যে ব্যবসায় শিল্পগুলো খুবই সম্ভাবনাময় তার তালিকা -
রংপুর জেলাঃ 
সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন
অফসেট প্রিন্টিং প্রেস - ১২৫ লাখ টাকা
গজ ও ব্যান্ডেজ - ১৫ লাখ টাকা
ইলেকট্রিক গুডস - ১২ লাখ
প্লাস্টিক প্রোডাক্টস - ২৫ লাখ
অটোমোবাইল সার্ভিসিং এন্ড রিপেয়ারিং - ৩৮ লাখ
হাল্কা প্রকৌশল কারখানা - ৪০ লাখ
অটোমেটিক বিস্কুট ফ্যাক্টরি - ১৪০ লাখ
সাইকেল ও রিক্সার যন্ত্রাংশ কারখানা - ২০ লাখ
দিনাজপুর জেলাঃ 
সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন
টাইলস কারখানা - ২৭০ লাখ টাকা
মার্বেল পাথরে শিল্প - ২৫০ লাখ টাকা
মোজাইক পাথর শিল্প - ৯৫ লাখ টাকা
স্টোন ক্রাশিং - ৯০ লাখ টাকা
ফ্লাওয়ার মিল - ২৫০ লাখ টাকা
সেমাই ও নুডুলস কারখানা - ২৬০ লাখ টাকা
ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প - ১৭৫ লাখ টাকা
কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরি শিল্প - ১৩৫ লাখ টাকা

আরও পড়ুন -

উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য যে ৯টি দক্ষতার প্রয়োজন


গাইবান্ধা জেলাঃ
সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন
জুট টেক্সটাইল মিল - ৯৩০ লাখ টাকা
কাপড় কাঁচা সাবান কারখানা - ৩৫ লাখ টাকা
প্লাস্টিক টব কারখানা - ৩০ লাখ টাকা
ব্রেড এন্ড বিস্কুট কারখানা - ২৯ লাখ টাকা
সিমেন্ট কারখানা - ৪০০ লাখ টাকা
কোল্ড স্টোরেজ - ২৮০ লাখ টাকা
স্টীল ফার্নিচার কারখানা - ৪০ লাখ টাকা
পোলট্রি হ্যাচারি - ৩০ লাখ টাকা
নীলফামারী জেলাঃ
সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন
মশার কয়েলের কারখানা - ৬ লাখ টাকা
পি ভি সি পাইপ কারখানা - ১৫ লাখ টাকা
কৃষি যন্ত্রপাতির কারখানা - ৯ লাখ টাকা
হাল্কা প্রকৌশল কারখানা - ৬ লাখ টাকা
প্লাস্টিক কনটেইনার কারখানা - ৬৮ লাখ টাকা
কোল্ড স্টোরেজ - ১৮০ লাখ টাকা
মিনি সিমেন্ট কারখানা - ৪০০ লাখ টাকা
গার্মেন্টস কারখানা - ২২ লাখ টাকা
কুড়িগ্রাম জেলাঃ 
সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন
পোলট্রি হ্যাচারি - ১৪ লাখ টাকা
রেডিমেট গার্মেন্টস - ১৫ লাখ টাকা
তারকাটা কারখানা - ১৪ লাখ টাকা
সরিষার তেল কারখানা - ৭ লাখ টাকা
পি ভি সি পাইপ কারখানা - ৮০ লাখ টাকা
অটোমেটিক ফ্লাওয়ার মিল - ১০০ লাখ টাকা
সেমাই তৈরির কারখানা - ৭ লাখ টাকা
ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি - ৬ লাখ টাকা
হাল্কা প্রকৌশল কারখানা - ৭ লাখ টাকা
লালমনিরহাট জেলাঃ 
সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন
পি ভি সি পাইপ কারখানা - ৮০ লাখ টাকা
ফাউন্ড্রি - ৯০ লাখ টাকা
সিমেন্ট কারখানা - ২৯৫ লাখ টাকা
অটোমেটিক ফ্লাওয়ার মিল - ১৬০ লাখ টাকা
ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প - ১২২ লাখ টাকা
পটেটো চিপস ফ্যাক্টরি - ৯০ লাখ টাকা
অটোমেটিক বিস্কুট ফ্যাক্টরি - ১৩৮ লাখ টাকা
ম্যাচ ফ্যাক্টরি - ৫৫ লাখ টাকা
ঠাকুরগাঁও জেলাঃ
সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন
কোল্ড স্টোরেজ - ১৮০ লাখ টাকা
ফ্লাওয়ার মিল - ৮২ লাখ টাকা
অ্যালুমিনিয়াম কারখানা - ১৭০ লাখ টাকা
অটোমেটিক বিস্কুট ফ্যাক্টরি - ১৬০ লাখ টাকা
ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প - ২৩৮ লাখ টাকা
মৌসুমি ব্যবসায় - ৪০ লাখ টাকা
ফাউন্ড্রি - ১২০ লাখ টাকা
ডেইরী ফার্ম - ৬০ লাখ টাকা
পোলট্রি হ্যাচারি - ২৭ লাখ টাকা
ব্রয়লার ও লেয়ার ফার্ম - ২৫ লাখ টাকা
পঞ্চগড় জেলাঃ 
সম্ভাবনাময় ব্যবসায় শিল্পের নাম ---- মূলধন
অটোমেটিক রাইস মিল - ১০৫
অটোমেটিক ফ্লাওয়ার মিল - ৯৫
ডাল মিল - ১০ লাখ টাকা
সেমাই কারখানা - ৬ লাখ টাকা
বিস্কুট ফ্যাক্টরি - ৭ লাখ টাকা
কাপড় কাঁচা সাবান কারখানা - ৩৫ লাখ টাকা
চারকোল তৈরির কারখানা - ১০ লাখ টাকা
ইলেকট্রিক ক্যাবল কারখানা - ৯৫ লাখ টাকা
তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন

Join Our Facebook Group - Entrepreneurship & Business Info



Popular posts from this blog

অংশীদারি ব্যবসায়ের চুক্তিপত্র কিভাবে করবেন?

অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তিই হল চুক্তি। চুক্তি ছাড়া অংশীদারি ব্যবসায় মুল্যহীন। অংশীদারি চুক্তিপত্র ব্যবসায়ের দিক - দর্শন হিসেবে কাজ করে। ভবিষ্যতে যেন কোন সমস্যা সৃষ্টি না হয় সেজন্য চুক্তিপত্রের বিষয়সমুহ ভালভাবে লিখতে হবে। তাহলে চলুন দেখে নেই চুক্তিপত্রে সাধারণত কোন বিষয়গুলো উল্লেখ থাকা উচিত। Sample of  partnership contract Stamp Paper ১) অংশীদারি ব্যবসায়ের নাম ও ঠিকানা। ২) ব্যবসায়ের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য। ৩) ব্যবসায়ের কার্যক্রম ও সম্ভাব্য এলাকা। ৪) অংশীদারদের নাম, ঠিকানা ও পেশা। ৫) ব্যবসায়ের মোট মুধনের পরিমাণ। ৬) অংশীদারদের প্রত্যেকের পুঁজির পরিমাণ ও তা পরিশোধ পদ্ধতি। ৭) অংশীদারগণ ব্যবসায় হতে কোন অর্থ উত্তোলন করতে পারবে কি না? পারলে কে কত বা কি হারে? ৮) মূলধন ও উত্তোলন করা টাকার ওপর কোন সুদ ধরা হবে কি না? হলে কি হারে ধরা হবে? ৯) ব্যবসায়ের লাভ লোকসান এর হার কেমন, কিভাবে বন্টন করা হবে? ১০) ব্যবসায়ের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি কেমন হবে? ১১) কোন ব্যাংকে হিসাব খোলা হবে? ঐ ব্যাংকের নাম, ঠিকানা ও হিসাবের ধরন কি হবে? ১২) ব্যাংকের হিসাব কে পরিচালনা করবে? ...

Small Business - ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফল হওয়ার উপায়

খুব সহজেই ক্ষুদ্র ব্যবসায় গড়ে তোলা যায় কিন্তু খুব সহজেই কি সফলতা পাওয়া যায়? সফলতা পেতে হলে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে নানা বাধা বিপত্তি দূর করতে হয়। অবলম্বন করতে হয় নান কৌশল। কিভাবে একটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফল হবেন তাই নিয়ে আজকের আলোচনা। পরিকল্পনাঃ  পরিকল্পনা হল কোন কাজের ৫০% সফলতা। আপনার পরিকল্পনা যদি উদ্দেশ্যমাফিক হয় তাহলে সফলতা খুব সহজেই অর্জন করা যায়। পরিকল্পনা মূলত ভবিষ্যতের ছবি। ভবিষ্যতে আপনার ব্যবসায়ের ক্রেতা কারা হবে, তাদের রুচি / পছন্দ কেমন হবে, দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা কেমন হবে এইসব নিরূপণ করবেন। সঠিক কর্মীঃ  ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফলতার অন্যতম পূর্বশর্ত হল উপযুক্ত ও দক্ষ কর্মী নির্বাচন করা। উপযুক্ত ও দক্ষ কর্মী দ্বারা আপনার ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা সফল হবে। আপনার পণ্যের গুনগত মান ঠিক থাকবে ফলে আপনার পণ্যের ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জন হবে। ব্যবসায়ের স্থানঃ  ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সফলতার অন্যতম কারণ হল আপনার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান। যে স্থানে আপনার পণ্যের কাঁচামাল খুব সহজে পাবেন, দক্ষ শ্রমিক পাবেন, ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, আপনার পণ্যের ক্রেতা যেখান...